ইন্টারনেট মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলছে। মানুষ এখন অনলাইনে অর্থ আয়ের জন্য নানা কৌশল প্রয়োগ করছে। অনলাইনে আয়ের নানা পথও তৈরি হয়েছে। তবে অনলাইনে কাজ করে আয় করতে গেলে কোন প্ল্যাটফর্ম ধরে এগোচ্ছেন, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
অনলাইনে আয় করার নানা সুযোগ থাকলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রতারণার মুখে পড়তে হতে পারে। অনলাইনে কাজ করে রাতারাতি কোটিপতি বনে যাওয়ার সুযোগ নেই। তাই এ ধরনের প্রতারণামূলক কাজের ক্ষেত্র থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখতে হবে। কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, ওয়েবসাইট ও রিসোর্স আছে, যা কাজে লাগিয়ে অনলাইনে আয় করতে পারবেন। জেনে নিন এসব সম্পর্কে:
ফ্রিল্যান্সিং
অনলাইনে আয়ের ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার বিষয়টি সবচেয়ে জনপ্রিয়। বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সারদের দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে ফ্রিল্যান্স কাজের সুযোগ দেয় কয়েকটি ওয়েবসাইট। সেখানে অ্যাকাউন্ট খুলে দক্ষতা অনুযায়ী কাজের জন্য আবেদন করতে হয়। কাজদাতা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী যোগাযোগ করে ফ্রিল্যান্সারকে কাজ দেয়।
কয়েকটি ওয়েবাসাইটে কাজের দক্ষতার বিবরণ জানাতে হয়, যাতে ক্রেতা সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন। এসব সাইটের মধ্যে ফাইভার ডটকম, আপওয়ার্ক ডটকম, ফ্রিল্যান্সার ডটকম ও ওয়ার্কএনহায়ার ডটকমে ফ্রিল্যান্সিং কাজ পাওয়া যায়। ঘণ্টায় ৫ থেকে ১০০ ডলার পর্যন্ত আয় করা যায় এসব সাইট থেকে। মনে রাখতে হবে, কাজ শেষ করার পর কাজদাতার অনুমোদন পেলেই তবেই অর্থ ছাড় দেবেন তিনি। এ ক্ষেত্রে কাজের মানের ওপর কাজদাতা রেটিং দিতে পারেন। গ্রাহকের পছন্দ না হওয়া পর্যন্ত কাজ করে দিতে হয় ফ্রিল্যান্সারকে। বিভিন্ন অনলাইন পেমেন্ট মাধ্যম ব্যবহার করে অর্থ আনা যায়।
নিজের ওয়েবসাইট তৈরি
এখন নিজের ওয়েবসাইট তৈরির জন্য অনলাইনেই অনেক উপাদান পাওয়া যায়। এর মধ্যে ডোমেইন নির্বাচন, টেমপ্লেট ও ওয়েবসাইট তৈরির নকশা প্রভৃতি। যখন পাঠক বা দর্শককে ওয়েবসাইটের বিভিন্ন কনটেন্ট সেবা দেওয়ার প্রস্তুতি সারা, তখন গুগল অ্যাডসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারেন। গুগলের বিজ্ঞাপন যখন সাইটে দেখানো শুরু হবে এবং তাতে ক্লিক পড়বে, তখন আয় আসতে শুরু করবে। ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বা দর্শক যত বেশি হবে, আয়ের পরিমাণ তত বাড়বে।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
এই পদ্ধতিতে আয়ের ক্ষেত্রেও নিজের ওয়েবপেজ বা ব্লগ প্রয়োজন। যখন ওয়েবসাইট বা ব্লগ চালু হবে, তখন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লিংক তাতে যুক্ত করতে পারবেন। যখন আপনার সাইট থেকে ওই প্রতিষ্ঠানের পণ্য বা সেবা কোনো দর্শক কিনবেন, তখনই আপনার আয় আসতে শুরু করবে।
গ্রাফিকস ডিজাইন
অনলাইনে ঘরে বসে আয়ের ক্ষেত্রে গ্রাফিকস ডিজাইন ভালো উপায়। যাঁরা এই কাজে দক্ষ, তাঁরা বিভিন্ন ডিজাইন অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে দিয়ে রাখেন। সেখান থেকে তাঁদের আয় আসে। তাঁদের তৈরি একটি পণ্য অনেকবার বিক্রি হয়, অর্থাৎ একটি ভালো নকশা থেকেই দীর্ঘদিন পর্যন্ত আয় হতে থাকে। অনলাইনে এ ধরনের অনেক ওয়েবসাইটে গ্রাফিকসের কাজ বিক্রি করা যায়। এ ছাড়া অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতেও গ্রাফিকস ডিজাইনারদের অনেক চাহিদা রয়েছে।
জরিপ, সার্চ ও রিভিউ
অনলাইন জরিপে অংশ নিয়ে অর্থ আয় করতে পারেন। অনেক ওয়েবসাইট জরিপে অংশ নিলে অর্থ দেয়। এ ছাড়া অনলাইন সার্চ ও পণ্যের পর্যালোচনা লিখে আয় করতে পারেন। তবে, এ ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের পাশাপাশি ক্রেডিট কার্ড বা ব্যাংকিং তথ্য দেওয়া লাগতে পারে। তাই এ ক্ষেত্রে কাজ করার সময় সতর্কভাবে কাজ করতে হবে। এ বিষয়ে কাজের সময় কোনটি প্রকৃত কাজ আর কোনটি স্ক্যাম—যাচাই-বাছাই করে নিয়ে কাজ করতে পারেন।
ভার্চ্যুয়াল সহকারী
এখন ভার্চ্যুয়াল সহকারীদের কাজের ক্ষেত্র বেড়েছে। ঘণ্টাপ্রতি আয়ও বেশি। বাড়ি থেকে করপোরেট অফিসের নানা কাজ অনলাইনে করে দেওয়ার সুবিধা আছে এখন। ভার্চ্যুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কর্মী বা নিজের ব্যবসা নিজেই চালানো যায়। বিভিন্ন দক্ষতার ভিত্তিতে ভার্চ্যুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়োগ দেয় প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে ফোন কল, ই-মেইল যোগাযোগ, ইন্টারনাল রিসার্চ, ডেটা এন্ট্রি, এডিটিং, রাইটিং, ব্লগ, গ্রাফিকস, টেক সাপোর্ট, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবস্থাপনার মতো কাজ থাকে। ২৪ / ৭ ভার্চ্যুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট, অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যাচ, ফ্রিল্যান্সার ডটকম, পিপল পার আওয়ার, আপওয়ার্কের মতো সাইটগুলোতে কাজ পাওয়া যায়।
অনুবাদ
ইংরেজির পাশাপাশি অন্য কোনো ভাষা ভালোভাবে জানা থাকলে সেই দক্ষতা কাজে লাগিয়ে আয় করতে পারেন। বেশ কিছু ওয়েবসাইট আছে যেখানে বিভিন্ন ডকুমেন্ট অনুবাদ করে আয় করতে পারেন। যাঁদের স্প্যানিশ, ফ্রেঞ্চ, আরবি, জার্মানসহ অন্যান্য ভাষা জানা আছে এবং এগুলো থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ বা ইংরেজি থেকে এসব ভাষায় অনুবাদ করতে পারলে ভালো আয় করতে পারবেন। অনেক সময় কাজদাতারা নিজে সময়ের অভাবে অনুবাদের কাজ ফ্রিল্যান্সারদের দিয়ে করিয়ে নেন। ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে এ ধরনের কাজ পাবেন।
অনলাইন টিউটর
কোনো বিষয়ে যদি আপনার পারদর্শিতা থাকে, তবে অনলাইনে সে বিষয়ে শিক্ষা দিতে পারেন। অনলাইন টিউটরদের এখন চাহিদা বাড়ছে। সব বয়সী শিক্ষার্থীদের আপনি শিক্ষা দিতে পারবেন। এখানে অন্য দেশের শিক্ষার্থীদেরও পড়ানোর সুযোগ রয়েছে। অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে অনলাইন টিউশনির সুযোগ রয়েছে। সেখানে সুবিধামতো সময়ে পড়াতে পারেন ছাত্র। এসব সাইটে নিজের দক্ষতার পরীক্ষা দিতে হয়। একবার নির্বাচিত হয়ে গেলে ওয়েবিনার পরিচালক হিসেবে অনলাইন সেশন পরিচালনা করতে পারেন। দক্ষতা বাড়লে এ ক্ষেত্র থেকে অনেক আয় করার সুযোগ আছে।
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম
ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট এখন আর শুধু বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য নয়। এগুলো কাজে লাগিয়ে আয় করতে পারেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্র্যান্ডের পক্ষ থেকে সোশ্যাল মিডিয়া পরিকল্পকদের প্রচুর অর্থ দেওয়া হয় তাদের ব্র্যান্ডের প্রচার করার জন্য। অনলাইনে গ্রাহক টানা, প্রচার করার জন্য অবশ্য সৃজনশীলতা দরকার। বিভিন্ন পোস্ট তৈরি, ভিডিওর মাধ্যমে ফেসবুক বা অন্যান্য মাধ্যমে প্রকাশ করে তা ভাইরাল করতে পারলে ভালো অর্থ আসে। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফ্যান-ফলোয়ার তৈরিসহ তাঁদের ধরে রাখতে প্রচুর ধৈর্য ও প্রাসঙ্গিক বিষয় হওয়া জরুরি।
ওয়েব ডিজাইন
এখনকার অনলাইনের কাজের ক্ষেত্রে ওয়েব ডিজাইনের চাহিদা ব্যাপক। কোনো প্রজেক্টে ২০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত সহজে আয় করা যায়। সব ব্যবসায়ী প্রযুক্তিপ্রেমী নন। নিজেদের ওয়েবসাইট তৈরিতে তাঁদের ওয়েব ডিজাইনারের দরকার পড়ে। যাঁরা ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে কাজ করতে চান নিজেদের ওয়েবসাইট খুলে সেখান থেকেই ছোট ব্যবসা দাঁড় করাতে পারেন। ওয়েবসাইট তৈরিতে এখন কোডিং আর ওয়েব ডিজাইন দুটিই গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া ওয়েবসাইট ব্যবস্থাপনা ও হালনাগাদের জন্যও ওয়েব ডিজাইনারকে দরকার পড়ে। ফলে ডিজাইনারকে বসে থাকতে হয় না। ক্লায়েন্ট ও কাজের ওপর ভিত্তি করে ওয়েব ডিজাইনারের আয় বাড়তে থাকে।
কনটেন্ট রাইটিং
যাঁরা লেখালেখিতে ভালো এবং একাধিক ভাষায় সাবলীল লিখতে পারেন, তাঁদের কাজের জন্য বসে থাকতে হয় না। অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে কাজ করে বা লিখে দক্ষতা অর্জন করতে পারেন। আর্টিকেল লেখার মানের ওপর ভিত্তি করে আয় আসে। কাজদাতা নির্দিষ্ট নীতি মেনে লেখার জন্য বলতে পারেন। নির্দিষ্ট বিষয় বা নিশ ধরে নিজের দক্ষতা বাড়াতে পারলে আয়ের ধারা বেড়ে যায়।
ব্লগিং
অনেকে শখ করে অনেক বিষয়ে লেখেন। কিন্তু শখের বিষয়টি যদি পেশাগত কাজে লাগাতে পারেন, তবে অনলাইনে আয় করতে পারবেন। ব্লগিং করেও আয় করার সুযোগ আছে। দুই উপায়ে ব্লগ থেকে আয় করা যায়। একটি হচ্ছে নিজের ব্লগ সাইট তৈরি। ওয়ার্ডপ্রেস বা টাম্বলার প্ল্যাটফর্মে বিনা মূল্যে ব্লগ শুরু করতে পারেন। আবার চাইলে নিজে ডোমেইন হোস্টিং কিনে ব্লগ চালু করতে পারেন। তবে নিজে ব্লগ চালু করতে গেলে কিছু বিনিয়োগ করার দরকার হবে। ডোমেইন, হোস্টিং কিনতে হবে। নিজের ব্লগ শুরু করাটাই ভালো। কারণ, এতে নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী অনেক পরিবর্তন করার সুযোগ আছে। বিজ্ঞাপন, ফেসবুকের ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল, পণ্যের পর্যালোচনা প্রভৃতি নানা উপায়ে ব্লগ থেকে আয় করতে পারেন। তবে ব্লগ লিখে আয় করতে গেলে রাতারাতি আয় আসবে না। এ জন্য প্রচুর সময় ও ধৈর্য থাকতে হবে। অনেকের ব্লগ থেকে আয় করতে কয়েক বছর পর্যন্ত লেগে যায়। ব্লগে নিয়মিত কনটেন্ট আপডেটসহ তা সক্রিয় রাখতে কাজ করে যেতে হয়।
ইউটিউব
যাঁরা ব্লগ লিখে আয় করতে স্বচ্ছন্দ নন, তাঁরা ক্যামেরার সাহায্য নিয়ে ভিডিও থেকে আয় করতে পারেন। এ জন্য অবশ্য সৃজনশীল আর ভালো সম্পাদনা জানতে হবে। নিজের ইউটিউব চ্যানেল খুলে তাতে ভিডিও আপলোড করে সেখান থেকে আয় করতে পারেন। আপনার চ্যানেল কোন ক্যাটাগরির এবং তাতে কোন ধরনের ভিডিও রাখবেন, তা আগেই ঠিক করে রাখুন। যে বিষয়ে মানুষের আগ্রহ বেশি, সেই বিষয়ে ভিডিও না রাখলে মানুষ তা দেখবে না। ভিডিও না দেখলে আয় হবে না। বিষয়টি অনেকটাই ব্লগের মতো। তবে এ ক্ষেত্রে কনটেন্ট হচ্ছে ভিডিও। চ্যানেলের সাবসক্রাইবার ও ভিডিও দেখার সময় বাড়লে আয়ের সম্ভাবনা বাড়বে। প্রতি হাজার ভিউয়ের হিসাবে গুগল থেকে অর্থ পাবেন।
পিটিসি
অনেক ওয়েবসাইট আছে, যাতে রাখা বিজ্ঞাপনে ক্লিক করলে আপনাকে অর্থ দেওয়া হবে। এ ধরনের সাইটকে পিটিসি সাইট বলে। প্রকল্প শুরুর আগে নিবন্ধন করতে হয়। তবে মনে রাখতে হবে পিটিসি সাইটগুলো বেশির ভাগ ভুয়া হয়। তাই কাজের আগে নিশ্চিত হতে হবে সেটি প্রকৃত সাইট কি না। অনেক সময় বন্ধুতে রেফারেন্স দিয়ে আয় করতে পারেন।
ডেটা এন্ট্রি
অনলাইনে সহজ কাজগুলোর একটি হচ্ছে ডেটা এন্ট্রি। এ ক্ষেত্রে অবশ্য আয় খুব কম। তবে এ ধরনের কাজ অটোমেশনের কারণে এখন খুব কম পাওয়া যায়। যাঁদের কম্পিউটার, ইন্টারনেট ও দ্রুতগতির টাইপিং দক্ষতা আছে, তাঁরা এ ধরনের কাজ করতে পারবেন। অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সিং সাইটে এ ধরনের কাজ রয়েছে। তবে যাঁদের কোনো কাজে দক্ষতা থাকে, তাঁরা সহজে কাজ পান এবং দ্রুত আয় বাড়াতে পারেন।
রবিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
ঘরে বসে অনলাইনে বিভিন্ন উপায়ে কিভাবে আয় করবেন??
মোবাইল ফোনের নকল চার্জার চেনার সহজ উপায়।
মোবাইল ফোন চার্জ দেওয়ার পর পোড়া গন্ধ পাচ্ছেন? সতর্ক হয়ে যান। আপনার চার্জারে সমস্যা আছে। চার্জারটি ভুয়া নয় তো? এমন ঝামেলা এড়াতে কেনার আগেই এটি পরখ করে নিন।
মনে রাখবেন, অমসৃণ চার্জার মানেই নকল। এ রকম ভুয়া চার্জারের কারণে স্মার্টফোন বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। তাই চার্জার কেনার সময় অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। দেখবেন গাঠনিক কাঠামো কেমন। ভুয়া চার্জার অনেক সময় অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়। এ থেকে আগুন লাগার ঘটনাও ঘটেছে। তাই রাতে ঘুমানোর আগে মোবাইল ফোনে চার্জ না দিতেই পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। ভুয়া চার্জারে স্মার্টফোনের ব্যাটারির কার্যকারিতা ও চার্জ ধরে রাখার ক্ষমতা কমে যায়। অনেক সময় দোকানদার বা অনলাইন বিক্রেতারা নানা প্রলোভনে ভুয়া চার্জার বিক্রির চেষ্টা করেন। কী দেখে ভুয়া চার্জার চিনবেন? জেনে নিন কয়েকটি উপায়:
স্যামসাং: বাজারে স্যামসাং ফোনের উপযোগী বলে তৈরি করা নানা ভুয়া চার্জার পাবেন। এ ধরনের চার্জার চিনতে এর ওপরের লেখাগুলো পড়ুন। স্যামসাংয়ের আসল ও নকল চার্জারের পার্থক্য খুঁজে বের করা বেশ কঠিন। চার্জারের ওপর প্রিন্ট করা লেখা দেখে বুঝতে হবে। যদি চার্জারের ওপর ‘A+’ ও ‘মেড ইন চায়না’ লেখা থাকে, তবে সেটি ভুয়া হওয়ার আশঙ্কা বেশি।
আইফোন: বাজারে সবচেয়ে বেশি ভুয়া চার্জার আইফোনের। এগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়, যাতে আসল আইফোন চার্জারের সঙ্গে এর পার্থক্য বোঝা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। আসল চার্জারে ‘Designed by Apple in California’ লেখা থাকবে। ভুয়া চার্জারের সঙ্গে অ্যাপলের লোগোতে সহজেই পার্থক্য ধরতে পারবেন। ভুয়া চার্জারে বসানো লোগোটি কখনো আসলটির মতো হবে না। অ্যাপল লোগোটি ভুয়া চার্জারে গাঢ় রঙের দেখাবে। তাই আইফোনের চার্জার কেনার সময় লোগো খেয়াল করুন।
শাওমি: শাওমির নকল চার্জার চিনতে হলে কেবলের দৈর্ঘ্য মাপতে হবে। যদি কেবলটি লম্বায় ১২০ সেন্টিমিটারের কম হয় বা অ্যাডাপ্টর বড় হয়, তাহলে ধরে নিতে হবে চার্জারটি নকল।
ওয়ানপ্লাস: ওয়ানপ্লাস ফোনের অরিজিনাল ড্যাশ চার্জার চেনা খুবই সহজ। ফোনটি চার্জে দিলে ফ্ল্যাশ চিহ্ন দেখা যাবে। এর বদলে প্রচলিত ব্যাটারি চার্জ হওয়ার চিহ্ন দেখা গেলে বুঝবেন চার্জারটি নকল।
হুয়াওয়ে: বাজার হুয়াওয়ের নকল চার্জারও পাবেন। হুয়াওয়ের আসল ও নকল চার্জার চিনতে আপনাকে বারকোডের সাহায্য নিতে হবে। হুয়াওয়ে চার্জারের বারকোড তথ্যের সঙ্গে অ্যাডাপ্টরের বারকোড তথ্যের মিল পাওয়া গেলে বুঝতে হবে চার্জারটি আসল। তা না হলে বুঝবেন, আপনাকে ভুয়া চার্জার দিয়ে ঠকানো হচ্ছে।
পিক্সেল: গুগল সব সময় পিক্সেল ফোনের সঙ্গে ফাস্ট চার্জার সরবরাহ করে থাকে। যদি পিক্সেল ফোনটি চার্জ হতে অনেক সময় নেয়, তাহলে বুঝতে হবে চার্জারটি নকল।
অন্যান্য: চার্জার সকেটে ঢোকানোর পর যদি ঠিকভাবে খাপ না খায়, ধরে নিতে হবে পিনগুলো ভুল আকারে বানানো। কেনার আগে চার্জারের গায়ে নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান বা ব্র্যান্ডের নাম বা লোগো, মডেল, ব্যাচ নম্বর যাচাই করতে হবে। নিরাপদে চার্জার ব্যবহারের নির্দেশনা থাকতে হবে। খুব কাছ থেকে চার্জারের পিনগুলো লক্ষ্য করলেই আসল-নকলের তফাত বোঝা যাবে। নকল চার্জার দিয়ে দিনে দুই-তিনবার চার্জ দিলেই খুব দ্রুত তা গরম হয়ে যায়। আসল চার্জার দ্রুত গরম হয় না। তথ্যসূত্র: গ্যাজেটস নাউ।
কোনো এক প্রাচীন ঋষি তাঁর অনুসারী নৃপতিদের উদ্দেশে কয়েকটি বাণী দিয়েছিলেন। সেগুলো আমাদের এই সময়েও প্রাসঙ্গিক।
সেগুলো হলো:
সত্যিকারের শত্রুদের থেকে সত্যিকারের বন্ধুদের আলাদা করতে শেখো,
শত্রুদের বন্ধুতে পরিণত করার চেষ্টা করো,
এটা নিশ্চিত করো, তোমার বন্ধুরা শত্রুতে পরিণত হবে না।
মঙ্গলবার, ২৮ আগস্ট, ২০১৮
মহান ব্যক্তিদের মহা বাণী
মহান ব্যক্তিদের মহা বাণী
মহা মানবের মধ্যে আল্লাহর প্রথম বাণী পড়।
-আল কোরআন
প্রচুর ধন সম্পত্তির ভিতরে সুখ নেই, মনের সুখ প্রকৃত সুখ।
-আল হাদিস
পূণ্য অর্জন অপেক্ষা, পাপ বর্জন করা শ্রেষ্ঠতর।
-আল-হাদিস।
অসৎ লোক কাউকে সৎ মনে করে না, সকলকেই সে নিজের মত ভাবে।
-হজরত আলী (রাঃ)
ধর্ম নিয়ে যারা কোন্দল করে, ধর্মের মর্ম তারা জানে না।
-ডঃ মুহাম্মদ শহীদল্লাহ
প্রতিদিন আমাদের এমনভাবে কাটানো উচিত, যেন আজ জীবনের শেষ দিন।
-সেনেকা
যদি সর্বোচ্চ আসন পেতে চাও, তাহলে নিম্নস্থান থেকে আরম্ভ কর।
-সাইরাস
নিয়তি তোমাকে যা দান করে' তার মধ্যে সবচেয়ে উত্তম দান তোমার স্ত্রী।
-পোপ
তিনিই প্রকৃত সুখি, যিনি প্রয়োজনের তুলনায় বেশি আশা করে না।
-ভার্জিল
জগতের সবচেয়ে সুন্দর জিনিসগুলি এবং মুল্যবান জিনিসগুলি সবচেয়ে অকেজো।
-রাসকিন
জীবনের প্রতি ক্ষেত্রে কি পেলাম সেটাই বড় প্রশ্ন নয়, বরং কি করেছি সেটাই বড় প্রশ্ন।
-কালাইল
নদীতে স্রোত আছে, তাই নদী বেগ বান।
জীবনে দন্দ্ব আছে তাই জীবন বৈচিত্রময়।
-টমাস মুর
প্রয়োজনের অতিরিক্ত অর্থ, কোনো মানুষের মঙ্গল আনতে পারে না।
-নীহা রঞ্জন
সৎ পরামর্শের চেয়ে কোনো উপহার অধিক মূল্য নয়।
-ইমার সন
মানুষ যত গোপন পাপ করুক না কেন, তার শাস্থি সে প্রকাশ্যেই পায়।
-বেল জনসন
সব সমস্যার প্রতিকারই হচ্ছে ধৈর্য্য।
-হোয়াটলি
যাহা তুমি দেখাও, তার চেয়ে বেশি তোমার থাকা উচিত।
যা তুমি জান, তার তুলনায় কম কথা বলা উচিত।
-উইলিয়াম সেক্সপিয়ার
পরবর্তী দিন কখনও সুখের নয়, বিগত দিনের চেয়ে।
-মিলটন
দুঃখ-কষ্ট নিয়েই মানুষের জীবন, কিন্তু দুঃখের পর সুখ আসবে, এটাই ধ্রুব সত্য।
-এডওয়ার্ড ইয়ং
পতন অনেক ক্ষেত্রে সত্যকে উপলব্ধি করতে সাহায্য করে। তাই পতনের ও দরকার আছে।
-জনলিলি
বিখ্যাত ব্যাক্তিদের অনুপ্রেরণামূলক উক্তি/বাণী
সাফল্য হল আপনি যা চান তা হাসিল করা। সুখ হল আপনি যা চান তা পাওয়া।
ডেল কার্নেগি
নিজের থেকে বড় কিছু তৈরি করার জন্য আপনার মধ্যে সব সক্ষমতাই রয়েছে।
সেথ গডিন
সাফল্যের জন্য প্রতিবন্ধকতা জরুরি কারণ অন্যান্য সব গুরুত্বপূর্ণ পেশার মত বিপণনেও সাফল্য আসে অনেক সংগ্রাম আর পরাজয় পেরিয়ে আসার পর।
অগ ম্যান্ডিনো
আপনি যে নতুন একটি কাজ হাতে নিয়েছেন তার উপর ভিত্তি করেই সত্যিকারের সিদ্ধান্তের মাপকাঠি ধরা হয়। যদি হাতে কোন কাজ না থাকে, তাহলে আপনি এখনও আপনার সত্যিকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেননি।
টনি রবিনস
যদি আপনি আপনার রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে না জানেন, তাহলে আপনার অবস্থা আক্রমণ হওয়ার উপক্রম একটি অসহায় প্রাচীরহীন শহরের মত।
বুক অফ প্রোভার্বস
একজন গড়পড়তার মানুষ কথা বলে। একজন ভাল মানুষ ব্যাখ্যা করে। একজন উর্ধ্বতন মানুষ কাজ করে দেখায়। একজন সেরা মানুষ অন্যদেরকে প্রেরণা যোগায় যাতে তারা নিজেরাই কাজকে নিজের মত করে দেখতে পারে।
হার্ভি ম্যাকে
আপনার দর্শন ও স্বপ্নকে নিজের সন্তানের মত লালন করুন কারণ এগুলোই আপনার চূড়ান্ত অর্জনের প্রতিচিত্র হয়ে উঠবে।
নেপোলিয়ন হিল
সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হল আমরা যা ভয় পাই সেগুলো অপেক্ষা আমরা যা আশা করি সেগুলোর উপর আমাদের সচেতন মনকে প্রতিষ্ঠিত করা।
ব্রায়ান ট্র্যাসি
ঝামেলার ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও স্বাধীনতা, অগ্রাধিকার, বিকল্প এগুলোকে প্রতিনিয়তই কাজে লাগাতে হবে।
জ্যাক ভ্যান্স
নিজের শরীরের যত্ন নিন। কারণ এটাই আপনার একমাত্র থাকার জায়গা।
জিম রন
আপনি জীবনে যা চান তা আপনি পেতে পারেন যদি আপনি অন্যদেরকে তাদের চাওয়া নিশ্চিত করতে সাহায্য করে থাকেন।
জিগ জিগলার
যতবার আমি ব্যর্থ হই এবং চেষ্টা চালিয়ে যাই তার উপর সরাসরি নির্ভর করে আমি কতবার সফল হতে পারব।
টম হপকিন্স
প্রেমের কিছু জটিল ফেসবুক স্ট্যাটাস
বালিকা তোমার আমার প্রেম আর দেশের কারেন্টের মধ্যে অনেক মিল। এই আছে তো এই নেই – লোড শেডিং।
প্রেমে পরলে ছেলেরা বোকা হয়, আর মেয়েরা বোকাদের সামাল দেয়।
তুমি একা হলে তাকিও আকাশ পানে,তুমি দুঃখ পেলে জানিও হাওয়ার কানে। ওই আকাশ আর ওই হাওয়াতে থাকব আমি মিশে,কান্না গুলো মুছে দিব বৃষ্টি হয়ে এসে।
প্রতিটা ছেলের জীবনেই একজন মেয়ে থাকে যাকে সে মন থেকে চায় কিন্তু কখনোই পায় না।
→ডিজিটাল ভালবাসা মানেই,
→মেয়েদের ঠোটের লিপস্টিক খাওয়া।
আমাদের সম্পর্কগুলো টিকে থাকে মিথ্যের উপর। তাই কোন এক বিকেলে নদীর ধারে কিংবা কাঁশবনে সম্পর্কের মানুষগুলোর সাথে সবাই বড়ো বড়ো মিথ্যে কথা বলে। বলে….’বিশ্বাস করো আমি তোমাকে ছাড়া আমি বাঁচবো না।’
সবুজ ঘাসের দেশ যখন সে চোখে দেখে দারুচিনি-দ্বীপের ভিতর, তেমনি দেখেছি তারে অন্ধকারে; বলেছে সে, ‘এতদিন কোথায় ছিলেন?’ পাখির নীড়ের মতো চোখ তুলে নাটোরের বনলতা সেন।
ছেলে : I love you!
মেয়ে : কি?
ছেলে : ফিল্মটা খুব সুন্দর তাই না?
মেয়ে : বিড়ালের বাচ্ছা!
ছেলে : কি?
মেয়ে : দেখতে সুন্দর তাইনা?
ছেলে : জুতা দেখছ?
মেয়ে : কি?
ছেলে : নতুন কিনেছি!
ভালোবাসা হলো আগুন। কিন্তু সেটা আপনার হৃদয়কে উষ্ণ রাখবে নাকি আপনার ঘর বাড়ি জ্বালিয়ে দেবে তা কেউ জানে না।
মোবাইলে প্রেম। এখনো দেখা হয় নি প্রেমিক প্রেমিকার।
প্রেমিকাঃ জানু কি কর?
প্রেমিকঃ শেভ করি সোনা।
প্রেমিকাঃ আমি যখনি ফোন করি তখনি তুমি বল শেভ করি। দিনে কয়বার শেভ কর তুমি?
প্রেমিকঃ এই তো ৩০ ৪০ বার।
প্রেমিকাঃ বলে কি? পাগল নাকি?
প্রেমিকঃ না, না সোনা,আমি পাগল না আমি নাপিত।
প্রিয় জ্বর তুই আর কিছুদিন থাক। অন্তত এই বাহানায় আরও কিছুদিন সে আসুক,আমার কপালে হাত ছুঁয়ে সে যদি আমার ভিতরের অসুখ বুঝতে পারে!!
একবার মাংসের স্বাদ পাওয়ার পর প্রেমিক প্রেমিকা আর বারান্দা বা রিকশায় সুখ পায় না, তখন তারা চলে যায় অন্ধকার রেস্তোরাঁয় কিংবা সিনেমাহলে। কথা কমে যায়, বাড়ে ঠোঁট ও আঙুলের কাজ। ঠোঁট শিল্পে পারদর্শিতা এলে খুঁজতে থাকে নিরালা গোপন কক্ষ। দুটি মন এক করার কথা বলে আদতে তারা দুটি শরীর এক করতে চায়। এই হল প্রেম। দুটি মন এক করার কথা বলে দুটি শরীরকে এক করার শৈল্পিক ভদ্রতা-ই প্রেম। বাকি যত সংজ্ঞা, যত উদাহরণ দেয়া হয়, সব ঐ ঘুরিয়ে শরীরকে ভোগ করার ধান্দামাত্র।
ছেলে: আমি তোমাকে ভালোবাসি ময়না ।
ময়না: আমার জন্য কি করতে পারবা ?
ছেলে: বিয়া ছাড়া সবই করতে পারমু ।
ময়না: ওকে তাইলে আমি রাজি ।
ভালোবাসা থাকে না। খুব
সুন্দর বাসা দেখে ‘ভালো’ রা চলে যায়। খারাপ মেয়েদের প্রেমের কাঠি ফস করে জ্বলে ওঠে। আর তাদের প্রেমে পরে ছেলেরা কুৎসিত কুকুর ছানা হয়ে সারা রাত কুই কুই করে । বুক ভরা মায়া দিয়ে কেউ তাদের আটকায় না। ভালবাসা ঘুমায়, উষ্ণ কাপড় পরে। তারা ঠাণ্ডা হাত ধরে না।
হেডফোন আর Gf এক রকম। যতই গুছিয়ে রাখো প্যাচ লাগবেই।
“ডিঝুস মাইয়া ডিঝুস পোলারে বলতেসে, “তুমি আমারে কতোখানি ভালোবাস?”
– সীমাহীন
তাইলে তাজমহল বানাইতাসো না ক্যান?
– জমি কেনা হয়া গেসে, অহন তোমার মরনের অপেক্ষায় আছি।
মেঘবালিকা তুমি পূর্বের জানালায় সুভাষিত গন্ধরাজ হও আমি অন্তরীক্ষে হাওয়ার নৌকায় মন ভাসাই, ছোঁয়া ছোঁয়ির ইচ্ছেটা আজ পূর্ণতা পাক।
প্রেমিকাকে জোর করে রুমে নিয়ে যাবেন?? থামেন ভাই!একবার ভাইবা নেন। কারণ পরে আর ভাবার সময় পাবেন না। প্রেমিকা যদি এইচআইভি পজেটিভ হয় তখন কী করবেন??
আমাকে একটি বিদেশি সিরিয়াল মুক্ত বৌ দাও, আমি তোমাদেরকে একটি শান্তিপূর্ণ সংসার উপহার দিব।
জানালায় দূরের আকাশ! অতটা উদাস তোমাকে কি মানায়? ফুলদানির ফুল হয়ে থেকো, আয়ুর স্বল্পতায় কিইবা যায় আসে। যতটুকুই সময় থেকো চারিদিক মুখরিত করে রেখো।
অামার শার্টের বোতাম খোলা, তোমার খোলা চুল! ছুঁয়ে দিলেই কেঁপে উঠো; অামার যত ভুল।
যুক্তিবিদ্যার ক্লাস চলছে…..
শিক্ষকঃ আমি টেবিলটা ছুয়েছি,টেবিলটা মাটি ছুঁয়েছে,সুতরাং আমি মাটি ছুঁয়েছি।
এভাবে একটা যুক্তি দেখাওতো…!!
ছাত্রঃ আমি আপনাকে ভালবাসি, আপনি আপনার মেয়েকে ভালবাসেন, সুতরাং আমি আপনার মেয়েকে ভালবাসি।
যার প্রেমিকা নাই সে প্রেমিকা খোঁজে।
যা প্রেমিকা আছে সেই শান্তি খোঁজে
বালিকা আমাকে ছ্যাকা দিয়ে চলে যাবার জন্য তোমাকে অভিশাপ দিলাম;
এমন ভ্যাপসা গরমের কারেন্ট হীনা কোন এক রাতে যেন তোমার বিয়ের বাসর হয়।
বালকের নেশা বালিকার #ঠোঁট !
আর…বালিকার নেশা বালকের চকচকে #নোট !
কিছু কিছু রিলেশনশিপ এ বাচ্চার নাম পর্যন্ত ঠিক হয়ে যায় কিন্ত শেষে বাচ্চার আব্বু -আম্মুই হারিয়ে যায়।
ছন্দের ফেসবুক স্ট্যাটাস,,,,,,,
ভোটের আগে
মিয়া ভাই,
ভোট ফুরালে
খবর নাই।
ইঁদুর ধরতে ক্যাট আসে,
লাইক দাও স্ট্যাটাসে।
ফেইসবুকে দেখা হলে,
বলব কথা একা হলে।
কাজী নজরুল ইসলাম যদি এই গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ডের যুগে বেঁচে থাকতেন, তাহলে তাঁর ‘সংকল্প’ কবিতাটা যেমন হতো –
থাকবো নাকো সিঙ্গেল ওরে,
দেখব এবার রিলেশন করে!
কেমন করে করছে তারা?
একটা ছেড়ে, দুইটা ধরে।
ফ্ল্যাট হতে ফ্ল্যাট ফ্ল্যাটান্তরে,
করছে তারা ডেটিং ওরে।
কিসের নেশায়, কেমন করে?
করছে চ্যাটিং রাত্রি ভরে।
কিসের আশায় করছে তারা,
বরণ ব্রেক আপের যন্ত্রণাকে।
কেমন করে বীর তরুণী
মিথ্যে বলে পার্কে আসে,
বাসায় ফিরে মাকে বলে,
প্রাইভেট ছিল স্যারের কাছে।
ছোট্ট একটি মন…
তাতেই বৃন্দাবন!
ছোট্ট দুই আঁখি…
গিরি সিন্ধু ধরে রাখি!
হাজার রকমের বিলের মত
থাকতো যদি প্রেমের বিল
ঋণ খেলাপি হতাম আমি
রাখতে তোমার মনের মিল।
যখন দেখি তোর সে প্রিয়
হাসনাহেনা, জুই
উদাস মনে প্রশ্ন করি
কেমন আছিস তুই?
তোমার আকাশে ঝকঝকে রোদ
আমার আকাশ মেঘলা কালো
তুমি আছো বেশ আমুদে
আমি নেই মোটেই ভালো!
অর্ধেক জীবন কেটে গেল
ভুলের ভেলায়,
বাকি অর্ধেক পুড়বে কিগো
তোমার অবহেলায়!
জটিল ফেসবুক স্ট্যাটাস (১)
হ্যাঁলো।
-হাই।
-bf আছে?
-আছে।
-hd না mp4।
অতঃপর বালিক মহাদয় সব কিছু অন্ধকার দেখিতে লাগিল
কারেন্ট তুমি কার বাসায় ঘুরো,তার বাসার wifi কি আমার বাসার চেয়ে ভালো।
কাদের বিয়ে করবে বলে মেয়ে দেখতে গেছে….। কাদেরের একটা সমস্যা ছিল,
সে ‘ক’ কে ‘প’ বলত !! মেয়ের অভিভাবক ছেলেকে জিজ্ঞাসা করল তোমার নাম কি?
ছেলে : আমার নাম পাদের । (মানে কাদের)
#এই কথা শুনে মেয়ে কেঁদে উঠল।
তখন মেয়েটিকে কাঁদতে দেখে কাদের তাকে সান্তনা দিতে গিয়ে বলল – তুমি পাদছ পেন,পাপলি? (মেয়ের নাম কাকলি) পাপলি,পাপলি প্লিজ তুমি আর পেদনা… তুমি পাদলে আমিও পিন্তু পেদে দেব । তোমার পাদা আমার সহ্য হচ্ছেনা। আর আমি পাদা শুরু পরলে পেও আমার পাদা থামাইতে পারবে না।
“বউ” এর পূর্ণ রুপ পাওয়া গিয়েছে…
ব= বড্ড
উ= উৎপাত
ভদ্রলোক : ভাই আপনার দোকানের নাম কী?
দোকানদার : কী দরকার?
ভদ্রলোক : ইয়ে মানে… এমনিতে…। বলুন?
দোকানদার : বললাম তো কী দরকার।
ভদ্রলোক : (রেগে মেগে) ফালতু লোক…!
দোকানদার : আজব! আপনি গরম হচ্ছেন কেন, আমার দোকানের নামই তো কী দরকার স্টোর।
নগ্ন #নারী বেশ্যা হলে…..নগ্ন #পুরুষ সাধুবাবা হয় ক্যামনে
সেই তো প্রকৃত সুন্দরী যে বৃষ্টিতে মেকাপ এর ভয় না করে অনেকক্ষন ভিজতে পারে।
প্রশ্ন – “সুখ” কি…
উত্তর – দুঃখের মাঝে ছোট একটা বিজ্ঞাপন বিরতি।
ছেলেটি বলেছিলঃ গাভীর দুধ খাচ্ছি
মেয়েটি শুনেছিলোঃ ভাবীর খাচ্ছি
বাকিটা ইতিহাস।
জীবনে-অনেক “কিন্তুর” উত্তর পাবেন না। অনেক “আশা” পূর্ণতা পাবে না। অনেক “প্রশ্নের” উত্তর মিলবে না। অনেক “সাফল্যে” কাছের মানুষ হাসবে না। অনেক “দুঃখে” কেউ সাহস দিবে না। সুখের কথায় হিংসে করবে। দুঃখের কথায় সুযোগ খুঁজবে।
জীবনের- অনেক “অঙ্ক” মেলাতে হয় না। অনেক “ঘটনার” কারন খুঁজতে হয় না। অনেক “হাসির” অর্থ খুঁজতে নেই। অনেক “চোখের” ভাষা বুঝতে নেই।। অনেক “হাতে” হাত রাখতে নেই। অনেক “কথা” বলতে নেই।
জীবন-এক দুঃখ-সুখের বালুচর। সব কিছু হারিয়েও আশায় বুক বাঁধা। কখনো অনিশ্চয়তার দাবা খেলা। চরম অস্বস্তিতে সুখের স্মৃতি হাতড়ে বেড়ানো। কাউকে পাশে পেয়ে চরম প্রশান্তি বোধ করা কিংবা কাউকে ভালোবাসা! “জীবন” ৩টি অক্ষরের এক সীমাহীন রহস্য…!!
> দোস্ত কাল আমার গার্লফ্রেন্ডের জন্মদিন। কি গিফট দেয়া যায়???
< সে দেখতে কেমন???
> অনেক সুন্দরী ।
< তাইলে ওরে আমার নাম্বারটা দিয়া দে।
আধুনিক যুগে বয়ফ্রেন্ডরাই সব লুটপাট করে নেয় !! জামাইরা পায় শুধু অভিনয় করা চিৎকার !!
জটিল ফেসবুক স্ট্যাটাস – (২)
চার দেয়ালের অন্তরালে শুয়োপোকার জীবন আমার। তাই বৃষ্টি কিংবা জোৎস্নার বিলাসিতা আমার নেই। নিছক মধ্য দুপুরে নীল রোদে ঘামে ভেজা আমার শরীরে গ্লুকোজের চরম শুন্যতা আর সাদাজলের শ্রান্তি নিয়ে,আমি বেঁচে থাকি নতুন কোন স্বপ্ন দেখব বলে।
বৃষ্টি আসলেই সবার মনে কত প্রেম আসে। বউওয়ালা এবং বউ ছাড়া সব পাবলিক কত আবেগময় স্টাটাস দেয় । কিন্তু বৃষ্টি আসলেই আমার মনে পড়ে যায় আমার ফ্ল্যাটের পাশে একটা নর্দমা আছে । বৃষ্টির পানি পড়লে সেখান থেকে বিকট দুর্গন্ধ বের হয় । ভাগ্যভাল রবি বাবুর বাসা এখানে ছিল না । তা না হলে এই দুর্গন্ধময় পরিবেশে তিনি কি টাইপের কবিতা লিখতেন কে জানে !!
মিথ্যা দিয়ে যা শুরু হয় তা প্রথমে সুখের হলেও শেষ হয় অধিক দুঃখ দিয়ে।
কালো মেয়েগুলি খুব অদ্ভুত জীবন যাপন করে। রেগে গেলে তাদের চিবুকের শিরাও ফর্সা মেয়েদের মতই নীলচে হয়; কিন্তু কালো চামড়ার আড়ালে সেটা ঢাকা পড়ে থাকে। কেউ সেটা দেখে না। প্রেমিকের প্রশংসায় লাজুক কালো মেয়েটির গালেও রক্তিম আভা খেলে যায়। শুধুমাত্র চামড়াটার জন্যে সেটা আমরা কখনো দেখি না। ভাগ্যগুনে কোন কালো মেয়ের চেহারার কাটিং যদি ভাল হয়ে যায় তাহলে তাদেরকে কালো হলেও সুন্দর আছে জাতীয় প্রশংসা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়। খুব যোগ্যতাবান কিংবা বুদ্ধিমতি হলেও তারা কখনো হুমায়ুন আহমেদের ;রূপা হতে পারে না কেননা অসম্ভব রূপবতী উপমাটা তাদের জন্য নয়। বিয়ের সময় তারা নিজ অপছন্দের কোন ছেলেকে রিজেক্ট করতে পারে না কারন ;এহে নিজে কী? আবার অন্যের খুঁত ধরতে এসেছ – টাইপ কথা বলে তাদেরকে থামিয়ে দেয়া হয়। গল্প উপন্যাসের নায়িকা হবার যোগ্যতা তাদের নেই কেননা উপন্যাসের কাহিনীতে নায়িকার ফর্সা টুকটুকে চেহারার সৌন্দর্য্যে ভীমড়ি খাওয়া নায়কের মুগ্ধতার গল্প থাকতে হয়। কালো মেয়েগুলোর জীবনে এই গল্প থাকে না। এসব গল্প তাদের থাকতে নেই!
মানুষের জীবনে পুর্ণতা এবং অপুর্ণতার কোন সীমারেখা নেই। প্রতিটি মানুষই বোধ হয় অপুর্ণতার জালে আচ্ছন্ন। হয়তবা অব্যক্ত কান্নার অস্ফুট চাপা কস্টে নিজেকে আচ্ছন্ন করে রাখে আরো বেশী নিবিড় ভাবে। কেউ তা প্রকাশ করে জনসম্মুখে, কেউ কেউ নিজের একাকীত্বের কঠিন আবর্তে নিজেকে লুকিয়ে রাখে অত্যন্ত নিপুণ ভাবে।
* যে শহর ঈদ এও ফাকা হয় না – ঢাকা
* আজকের যুগের নবাব – সি এন জি ড্রাইভার্স
* যাদের কাছে টাকার খুচরা থাকেনা- রিকশাওআলা মামা
* যারা কখনো সোজা হয়ে দাড়াতে পারেনা – বাংলাদেশী মডেল
* ছেলেদের চোখে সেরা সুন্দরি — অন্যের গার্লফ্রেন্ড / বউ
আমি বলছি না ভলোবাসতেই হবে, আমি চাই কেউ একজন ভিতর থেকে আমার ঘরের দরজা খুলে দিক। কেউ আমাকে কিছু খেতে বলুক । কাম-বাসনার সঙ্গী না হোক, কেউ অন্তত আমাকে জিজ্ঞেস করুক : ‘তোমার চোখ এতো লাল কেন ?’
যদিও সীমানা জানা,তবু মাঝে মাঝেই শখ জাগে অতিক্রমের…।
সমাজ একটা স্যানিটারি পায়খানা, জীবন হইলো একটা বদনা, কপাল হইলো কলের পানি আর লোডশেডিং ইজ পম গানা..!! এই লৈয়াই বাঁইচা আছিরে মামা…
আপনার ভবিষ্যত যদি স্বপ্নের উপর নির্ভর করে, তাহলে জেগে আছেন কেন ? ঘুমাইতে যান। Good night…
জটিল ফেসবুক স্ট্যাটাস – (৩)
বাংলা সিনেমায় একটা কমন ডায়লগ থাকে – ” পৃথিবীর কোন শক্তি আমাকে আর রাজাকে আলাদা করতে পারবেনা”।
চকলেট খেয়ে মোড়কটা কাঁচ নামিয়ে গাড়ির জানালা দিয়ে রাস্তায় ছুঁড়ে ফেলতে ফেলতে আপনি ভাবেন, “এই দেশটা এত নোংরা কেন?” হা হা হা! অফিসের ফাইল দুই দিন আগে ছাড়িয়ে নেবার আশায় কেরানীকে এক শো টাকা “বখশিশ” দিতে দিতে আপনি চিন্তা করেন, “দুর্নীতিতে দেশটা ছেয়ে গেলো”! হে হে হে!
আপনার সান্ধ্যকালীন পার্টি মিস হয়ে যাবে, এই ভয়ে রাস্তায় জ্যামের গুষ্ঠি উদ্ধার করতে করতে “রং সাইডে” গাড়িটা ঢুকিয়ে দিতে দিতে মহা বিরক্তির সাথে বলেন,”কেউ আইন কানুন মানেনা! এই দেশে কোন গাধা থাকে, অন্যত্র সুযোগ থাকলে?!” ☆আগে নিজে বদলাতে হবে তবেই অন্যরা বদলাবে।☆
কষ্ট পরশ পাথরের ন্যায়। কষ্টই মানুষকে ভাল কিছু করতে অনুপ্রানিত করে। তাই কষ্টকে জীবন পথে বাঁধা নয় বরং আর্শীবাদ হিসেবে গ্রহন করা উচিত।
পাশের ফ্লাটের ভাবিকে জিজ্ঞেস করলাম কেমন আছেন ভাবি?
ভাবি বলল – স্বামী বিদেশ
কাহিনী কি ম্যান! এ কেমন উত্তর ?
এখনকার বাচ্চারা দোকানে গিয়ে যা চায়! তাদের মা-বাবা হাঁসি মুখে তাই কিনে দেয় কিন্তু আমাদের সময়ে রাস্তায় শুয়ে নাগিন ড্যান্স না দেয়া পর্যন্ত কিছুই কিনে দিতোনা
মোবাইটা কয়দিন পরে পরে ঝামেলা করে
কেউ আমারে একটা কিরণমালা মোবাইল দিতে পারবা?
যখন তিন চারটা সুন্দরী মেয়ে আপনার দিকে তাকিয়ে থাকবে,তখন বুঝবেন আপনার প্যান্টের চেন খোলা না হয় আপনি অবশ্যই গাঞ্জা খেয়েছেন
শাবানার মত একটা নায়িকা খুঁজতেছি যাকে একটা কাপড় সেলাই মিশিন কিনে দিব কয়েক দিন পর সে আমায় একটি গার্মেন্টস উপহার দিবে।
#জাতির কাছে জানতে চাই আমরা ছেলেরা যেমন মজা করে অন্য ছেলেদেরকে ‘শালা’ বলিমেয়েরা ও কি অন্য মেয়েকে ‘ননদ’ বলে??
“মশাই” একমাত্র ব্যন্ড শিল্পী যার গান শুনলে জাতি হাতে তালি না দিয়ে থাকতেই পারে না।
জটিল ফেসবুক স্ট্যাটাস – (৪)
ছোট বেলায় মুভিতে কিস করতে দেখলে ভাবতাম..ছি ছি ছি এগুলা কি করে!! আর এখন ভাবি শুধু কিসই করলো!! আর কিছু করেনা কেন ।।
পড়া-শুনা ছেড়ে দেওয়ার পর মাথার ভিতরে যে জ্ঞানটুকু অবশিষ্ট থাকে, তাই হল শিক্ষা।
মানুষ জীবনে 6টি বার হেরে যায়।
(1) টাকার কাছে। (2) ভালবাসার কাছে। (3) সময়ের কাছে । (4) বিবেকের কাছে।(5) বন্ধুত্বের কাছে । (6) অবশেষে মরণের কাছে।
আমরা দেখে মুগ্ধ হই যে, কাপড় কাঁচার সাবানের সাথে সুন্দরী মহিলা। কিন্তু ভেবে দেখুন, আপনি বাস্তব জীবনে দেখেছেন কোনো সুদর্শন এলিট শ্রেণীর তরুণী কাপড় কাঁচছে সাবান দিয়ে; তাও আবার পুকুরে? পন্যের সাথে যদি সুন্দরী কোনো মডেল থাকে তাহলে সেই সুন্দরীর দিকে তাকাতে গিয়ে পন্যের দিকে তাকাবেই। কিংবা সেই সুন্দরীকে ভেবে ভেবেই মানুষজন তার সেই পন্যটা কিনে নেবে। বাস্তবে কি আসলেই তা হচ্ছে? নারীকে মডেলের নামে ভোগপন্য বানানো হচ্ছে।
পথচারী- এই যে, তুমি যে ভিক্ষা চাইছো, কিভাবে বুঝবো যে তুমি কানা?
ভিক্ষুক- ওই যে একটা গরু ঘাস খাচ্ছে, আপনি দেখতাছেন?
পথচারী- হ্যাঁ, দেখতেছি
ভিক্ষুক- ওইটা আমি দেখতাছি না।